সংবিধান/গঠনতন্ত্র

 

ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ
(একটি সমাজসেবা ও যুব উন্নয়নমূলক সংগঠন)

“গঠনতন্ত্র”

ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ 
 (Youh
Student’s Platform Bangadesh)

প্রতিষ্ঠাকাল- ২০/০২/২০২০ইং
আবুজর আল গিফারী একাডেমী, পেশকার পাড়া, কক্সবাজার।
মোবাইল- ০১৭০৫ ৭৯০১৫০।

Mail:    studentsplatform.2020@gmail.com

               studentsplatform.t20@gmail.com

 

YouTube channel:

https://www.youtube.com/@sspbfamily

Facebook Profile:

https://www.facebook.com/students.platform.9

Facebook page:

            https://www.facebook.com/100226789361779/posts/pfbid02cscbr9tV3uuYvs4BQsiLVAdz4QjNMHX2KcZcKXsYytaiZmosFmAkx5uQK3soq6Msl/?app=fbl

 


 

অনুচ্ছেদ-১: সংগঠনের নামকরন
অনুচ্ছেদ-২: সংগঠনের কর্ম এলাকা
অনুচ্ছেদ-৩: মূলনীতি
অনুচ্ছেদ-৪: মনোগ্রাম
অনুচ্ছেদ-৫: পতাকা
অনুচ্ছেদ-৬: লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং ভিশন
অনুচ্ছেদ-৭: সদস্য/সদস্যা
অনুচ্ছেদ-৮: সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা ও নিয়ম
অনুচ্ছেদ-৯: সাধারণ সদস্যপদ বাতিল
অনুচ্ছেদ-১০: বাতিলের নিয়ম
অনুচ্ছেদ-১১: শূণ্য পদ পূরণ ও সদস্য পদ পুনঃবহাল 
অনুচ্ছেদ-১২: সাংগঠনিক কাঠামো
অনুচ্ছেদ-১৩: কার্যনির্বাহী পরিষদের গঠন কাঠামো
অনুচ্ছেদ-১৪: কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
অনুচ্ছেদ-১৫: উপকমিটি গঠণ
অনুচ্ছেদ-১৬: এডহক কমিটি

অনুচ্ছেদ-১৭: শাখা কার্যালয় ও কমিটি

অনুচ্ছেদ-১৮: নিয়োগ পদ্ধতি
অনুচ্ছেদ-১৯: সভা সংক্রান্ত বিধি 
অনুচ্ছেদ-২১: সভার কোরাম সংক্রান্ত বিধি
অনুচ্ছেদ-২২: আর্থিক বিধি
অনুচ্ছেদ-২৩: আয়ের উৎস: ব্যয়ের খাত
অনুচ্ছেদ-২৪: ব্যয়ের খাত

অনুচ্ছেদ-২০: সভার নোটিশ 

অনুচ্ছেদ-২৫: হিসাব নিরীক্ষণ (অডিট)

অনুচ্ছেদ-২৬:  নির্বাচন পদ্ধতি

অনুচ্ছেদ-২৭: ভোটার

অনুচ্ছেদ-২৮:  অনাস্থার নিয়ম

অনুচ্ছেদ-২৯:  গঠনতন্ত্র সংশোধনঃ

অনুচ্ছেদ-৩০:  বিরোধ মিমাংসা

অনুচ্ছেদ-৩১:  বিলুপ্তি

 

 

প্রস্তাবনা

“দক্ষ ও সুষ্ঠু যুব সমাজ গড়ার লক্ষ্য” কে সামনে রেখে একজন তরুণের উদ্যোগে একদল নিরবিচ্ছিন্ন যুবক একই ছায়াতলে এসে একটি আদর্শ যুবসমাজ তৈরি, কল্যাণধর্মী কার্য বাস্তবায়ন ও মানবতার সেবায় নিজেদের আত্মনিয়োগের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ হয়। এরই ধারাবাহিকতার প্রয়াস আমাদের এই ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ

এই সংগঠনের প্রাণশক্তি হলো অদম্য, প্রাণচঞ্চল যুবশক্তি এইরূপ কিছু সংখ্যক যুবগোষ্ঠী, যাদের সাংগঠনিক প্রঙ্ঘা সমন্বিত করে ও সমাজ কল্যাণমূলক কাজে নিজেরদর সম্পৃক্ত করে সর্বস্তরের মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগীতা নিয়ে রাষ্ট্রীয় বিধি বিধানের সাথে সংগতি রেখে ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তারিখে “ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ”নামে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়, যার স্বপ্নদ্রষ্টা মোঃ আরিফ উল্লাহ। এটি একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

 

অনুচ্ছেদ-১ সংগঠনের নামকরন

বাংলাদেশের এই সামাজিক সংগঠনের নাম “ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ” ও ইংরেজিতে “Youth Student’s Platform Bangladesh” সংক্ষেপে বাংলায় “স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম” ও ইংরেজিতে “Student’s Platform” নামে অভিহিত হবে


“ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ”জাতীয় ভিত্তিতে সর্বোচ্চ কমিটি-কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ (
Central Executive Committee), সংক্ষেপে নির্বাহী সংসদ নামে অভিহিত হবে। সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক ফোরামের নাম হবে কেন্দ্রীয় কমিটি (Central Committee).


অন্যান্য শাখাগুলোর নাম হবে:
“ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ” কক্সবাজার জেলা শাখা, সাতকানিয়া উপজেলা শাখা, চট্রগ্রাম মহানগর শাখা, স্কুল/ ইউনিট কমিটি ইত্যাদি।
বিভিন্ন ইউনিট যেমন- ছাত্র-ছাত্রী ইউনিট, আইসিটি ইউনিট, ডাক্তার ইউনিট, এ্যাডভোকেট ইউনিট, মিডিয়া ও ব্যবসায়ী ইউনিট।

সংগঠনের শ্লোগান হবেঃ          পরিবেশ, শিক্ষা, শান্তি, অধিকার,

              দক্ষ্য হাতের অঙ্গীকার”

ইংরেজিতে                       Education, Peace, Rights and Environment        

Skilled hand our commitment.


সংগঠনের কাজের ধরন হবে ছাত্রদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সামাজিক সচেতনটা, সেচ্ছাসেবা মূলক কাজ করা এবং সরকার ও জনগণের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

 

অনুচ্ছেদ-২ সংগঠনের কর্ম এলাকাঃ

সমগ্র বাংলাদেশেএই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হইবে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর/যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশের বাহিরে ও এই সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হইবে।  

অনুচ্ছেদ-৩ মূলনীতি 

সংগঠনের মূলনীতি হবে ধর্ম নিরপেক্ষতা, শিক্ষা, দক্ষতা, একতা, পরিবেশ ও প্রযুক্তি। যা সকল সদস্যরা এই পাঁচ টি মুলনীতি নিয়ে কাজ করবে।

 

অনুচ্ছেদ-৪ মনোগ্রাম 

সংগঠনের নিজস্ব গোলাকৃতির মনোগ্রাম থাকবে। যার মধ্যে দুটি হাত থাকবে, একটি হাত লাল ও অন্যটি সবুজ রঙ্গের, হাতের উপরে বাংলাদেশের মানচিত্র থাকবে।

 

অনুচ্ছেদ-৫ পতাকা 

সংগঠনের পতাকার দৈর্ঘ্য = ৪;৩ পতাকা সাদা হবে এবং মাঝখানে সংগঠনের মনোগ্রাম গোলাকৃতির হবে।

অনুচ্ছেদ-৬ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য 

১। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের আত্মসামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি, নেতৃবৃন্দের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করণ, উন্নয়ন স্থাপনা সংরক্ষণ, প্রাগ ঐতিহাসিক উন্নয়ন স্থাপনা সংরক্ষণ, তথ্য অধিকার সংরক্ষন, উন্নয়ন বিমুখতা প্রতিহত করন, বাজেট পর্যালোচনা করন, উন্নয়ন সম্ভাবনা চিহ্নিত করে রিপোর্ট পেশ ও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করন, সর্বোপরি তৃণমূল উন্নয়ন আন্দোলন।
২। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য ও সংস্কৃতির সংরক্ষণের প্রচেষ্টা চালানো।

৩। শিক্ষা মূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা যাতে গ্রাম ও শহরের গরীব জনগোষ্ঠির মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটানোর যায়। গণশিক্ষা, শিশু শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, আরবী শিক্ষা দানের জন্য গ্রাম ও শহরের লোকদের আকৃষ্ট করা। উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা অশিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের ব্যবহারিক শিক্ষা দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান এবং দুঃস্থ ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরন প্রদান করা।

৪। কার্যক্রমের সুবিধার্থে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে কার্যক্রম পরিচালনা। সরকারী ও বেসরকারী সকল সংস্থার সাথে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্পর্ক স্থাপন এবং জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে অন্যান্য সংস্থার সাথে যোগাযোগ স্থাপন (সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে)

৫। সামাজিক ও মানুষের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করবে।

৬। শিশুদেও বাধ্যতামূলকশিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।

৭। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্য, কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়ন, যৌতুক প্রথা রোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, অন্যায় অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানো অথ্যাৎ সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে অংশগ্রহনে সদা তৎপর থাকবে এই সংগঠন।

৮। মাদক ও অপরাধমূলক কাজ থেকে যুবসমাজকে বিরত থাকার জন্য উৎসাহিত করা।

০৯। দারিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরন ও বৃত্তির ব্যবস্থা করা।

১০। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেও সনাক্তকর বিশেষ করে অটিজম শিশুদেও জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি।

১১। জাতীয় ও আর্ন্তকজাতিক দিবস সমূহ যথাযোথ মর্যাদায় পালন করা।

১২। বৃক্ষরোপনে জনগনকে উৎসাহিত করা।

১৪। তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বেকার মুক্ত দেশ গড়াই সার্বিক সহযোগিতা করা।

১৫। বেকারত্ব দূরীকরণ ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি।

১৬। মোটিভেশনাল ক্লাসের ব্যবস্থা।

১৭। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা (সনদ সহ)

 

ভিশনঃ
দক্ষ যুব সমাজ গঠন, সমাজসেবামূলক কাজে উৎসাহ যোগিয়ে মাদক মুক্ত ও বেকার মুক্ত দেশ গড়া।

অনুচ্ছেদ-৭ সদস্য/সদস্যা 

সংগঠনে ৪ (চার) প্রকার সদস্য থাকিবে ঃ-

(০১) প্রাতিষ্ঠানিক সদস্য
(০২) দাতা সদস্য
(০৩) আজীবন সদস্য,
(০৪) সাধারণ সদস্য,

সাধারণ সদস্য:
কার্যক্ষেত্রে এলাকার এবং দেশের যেকোন এলাকার যে সকল ব্যক্তি অত্র সংগঠনের কল্যাণে কাজ করতে উৎসাহিত হয়ে এবং গঠণতন্ত্র মেনে নিয়মিত মাসিক ও অন্যান্য চাঁদা প্রদান করবেন এবং নির্ধারিত আবেদন করবেন তিনি/তাহাকে কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে। সাধারণ সদস্য ভর্তি ফি ১০০/- (একশত) টাকা ও মাসিক চাঁদা ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা। কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে ভর্তি ফি ও চাঁদার হার হ্রাস/বৃদ্ধি করা যাবে।


৭.১ আজীবন সদস্য:
যেকোন দানশীল ও সমাজ সেবী ব্যক্তি সংস্থার কল্যাণে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে এবং গঠনতন্ত্র মেনে এককালীন কমপক্ষে ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা বা তৎসম পরিমাণ অর্থ/সম্পদ প্রদান করবেন, কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে তাহাকে/তাহাদিগকে আজীবন সদস্য পদ দান করা যাবে। আজীবন সদস্যগণ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোটদানের অধিকার ছাড়া সকল কাজে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন।


৭.২ দাতা সদস্য:
সংগঠনের কার্যকরী এলাকায় বসবাসরত কোন পুরুষ/মহিলা সংগঠনের উন্নয়ন কর্মকা- প্রসারের জন্য এককালীন সংগঠনকে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা বা সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করে দাতা সদস্যপদে অন্তর্ভূক্ত হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহীর অনুমোদন প্রযোজ্য হবে।


৯.৪ প্রাতিষ্ঠানিক সদস্যঃ
সংগঠনের কার্যকরী এলাকায় অত্র সংগঠনের সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক ঐ সকল জাতীয়/আন্তজাতিক প্রতিষ্ঠান অত্র সংগঠনের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রসারের জন্য এককালীন সংগঠনকে ২৫,০০০/- (পচিঁশ হাজার) টাকা বা সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করে দাতা সদস্যপদে অন্তর্ভূক্ত হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহীর অনুমোদন প্রযোজ্য হবে।

 

অনুচ্ছেদ-৮ সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা ও নিয়ম:

সদস্যপদ লাভে আগ্রহী ব্যক্তিকে
Ø যিনি জন্ম সূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক
Ø যিনি নির্ধারিত ভর্তি ফি, মাসিক চাঁদা ও ধার্য্যকৃত অন্যান্য চাঁদা প্রদানে সম্মত থাকিতে হইবে।
Ø তাহার বয়স কমপক্ষে ১৮ (আঠার) বছর ও স্কুল কমিটির ক্ষেত্রে ১৫ (পনেরো) বছর পূর্ণ হইতে হইবে,
Ø তাহাকে অবশ্যই সংগঠনের কল্যাণে কাজ করার জন্য উৎসাহিত হতে হবে এবং গঠণতন্ত্র মানিয়া চলিতে হইবে।
Ø তাহাকে সুস্থ মন-মানসিকতার অধিকারী হইতে হইবে। পাগল ও চরিত্রবিহীনকে সদস্য পদ দেয়া হইবে না। কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সদস্য পদ প্রদান করা হইবে।
Ø সদস্য পদ পাওয়ার জন্য প্রার্থীর সদ্য তোলা ০১ (এক) কপি পাসপোর্ট সাইজ ও ০১ (কপি) ষ্ট্যাম্প সাইজ ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদের (০১) এক কপি সদস্য ফরমের সাথে সংযুক্ত করিয়া ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করিতে হইবে।

 

অনুচ্ছেদ-৯ সাধারণ সদস্যপদ বাতিল 

কোন সদস্য নিম্ন বর্ণিত কারণে সংগঠনের সদস্যপদ হারাইবেনঃ
ক) সদস্যগণ সংগঠনকে ব্যক্তিগত
¯স্বর্থ ব্যবহার করিলে।
খ) সংগঠন বিরোধী কোন কাজ করিলে।
গ) মৃত্যু, দেউলিয়া বা আদালত কর্তৃক দোষী স্যাব্যস্ত হইলে।
ঘ) সংগঠনের বিরুদ্ধে কোনরূপ চক্রান্ত করিলে।
ঙ) সদস্যগণ কোন প্রকার নীতি বিরোধী কাজে লিপ্ত হলে তার সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হইবে এবং সংগঠক তার দায়ভার নিবে না।
চ) সদস্যের কেউ যদি মাদকাসক্ত থাকে।
ছ) সদস্য তার গঠনতন্ত্র বর্হিভুত কাজ করলে।
জ) কমিটির সদস্য পদ প্রদানে কোন অর্থিক অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে।

ঝ) কোন সদস্য একাধারে ০৩ (তিন) মাসের মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করিলে।
ঞ) উপযুক্ত কারণ বা পূর্বানুমতি ব্যতিত পরপর ০৩ (তিন) টি সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকিলে।


বিঃদ্রঃ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা যদি কোনো সদস্য কে সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর মনে করেন তাহলে কোন প্রকার অগ্রিম নোটিশ না দিয়ে যে কোনো সদস্যের সদস্য পদ তৎক্ষণাৎ বাতিল করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০ বাতিলের নিয়মঃ

§     কোন সদস্য অনুচ্ছেদ ৮ এর কোন “ক নং হইতে ছ”পর্যন্ত যে কোন একটি কাজ করিলে তাকে সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি জেলা কমিটি বরাবর বাতিল এর কারন উল্লেখ করে বহিস্কার পত্র প্রেরন করিতে হইবে। যদি সভাপতি বা সাধারণ
সম্পাদক উক্ত কারনের অর্ন্তভুক্ত হয় তা হলে উপদেষ্ট্রা কমিটি বা কেন্দ্রীয় কমিটির যে কোন সদস্য নিজেই তা যাচাই করে অডিট প্যাডে কেন্দ্র বরাবর চিঠি প্রেরন করতে হবে।

§     এসকল বিষয়ে সংগঠনের সমন্বয়কারীদের অবশ্যই স্বাক্ষর লাগবে।

 

অনুচ্ছেদ-১১ শূণ্য পদ পূরণ ও সদস্য পদ পুনঃবহাল:
(ক) শূণ্য পদ পূরণঃ কার্যনির্বাহী পরিষদ/সাধারণ পরিষদ/উপদেষ্টা পরিষদ এর কোন সদস্যপদ শূণ্য হলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে শূণ্য পদ পূরণ করা হইবে।
(খ) সদস্য পদ পুনঃবহাল: সদস্য পদ পদ বাতিল হইয়াছে এমন সদস্য যদি পুনরায় সদস্য পদ পাইতে চাই তাহাকে সংগঠনের সমস্ত বকেয়া চাঁদা পরিশোধ এবং ভবিষ্যতে আর কোন অপরাধ করিবেন না মর্মে অঙ্গীকার নামা দিয়ে সভাপতি বরাবর লিখিতভাবে আবেদন করিতে হইবে। আবেদন পত্র কার্যকরী পরিষদ এর সভায় গৃহীত হইলে পুনঃ সদস্য পদ দান করিতে পারিবেন।

 

অনুচ্ছেদ-১২ সাংগঠনিক কাঠামো 

অত্র সংস্থার কার্যক্রম ও সুষ্ঠু ও সুন্দরভবে পরিচালনার জন্য ০৪ (চার)টি পরিষদ থাকিবে। যথা
(ক) সাধারণ পরিষদ,
(খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ,
(গ) উপদেষ্টা পরিষদ,
(ঘ) পৃষ্ঠাপোষক পরিষদ,
(ক) সাধারণ পরিষদ গঠন, দায়িত্ব ও ক্ষমতা:
দাতা সদস্য সহ অন্যান্য সকল সদস্যদের সমন্বয়ে এই পরিষদ গঠিত হইবে। এই পরিষদ হইবে সংগঠনের মেরুদন্ড এবং ক্ষমতার প্রধান। এই পরিষদ গঠনতন্ত্র মোতাবেক প্রতি ১ বৎসরের জন্য কার্যকরী পরিষদ গঠন করিবেন। গঠিত কার্যকরী পরিষদ এর উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত হইতেছে কিনা তাহা তদারক করিবেন। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে এই পরিষদ গঠনতন্ত্র মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবেন। বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব, বাজেট, গঠনতন্ত্রের যেকোন সংশোধনী এবং কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করিবেন।


(খ) কার্যকরী পরিষদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা:
সংস্থার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় সার্বিক দায়িত্ব পালন করিবার জন্য সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ০২ (দুই) বৎসর মেয়াদকালের জন্য গঠিত ১১ (এগার) সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ সংগঠনের দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্য ভর্তি অনুমোদন, উপযুক্ত কারণে বহিস্কার, পুন: সদস্য পদ প্রদান, সংস্থার আয় ব্যয় এর হিসাব রক্ষনাবেক্ষণ এবং সংস্থা গঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার দায়িত্ব পালন করিবেন। বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন, বার্ষিক অডিট প্রদান, বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, সরকারী-বেসরকারী যোগাযোগ সহ লক্ষ্য উদ্দেশ্যের পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন সহ সংস্থা গঠনের প্রধান মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করিবেন।


(গ) উপদেষ্টা পরিষদ:
যাহাদের জ্ঞান, বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করিবে, কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনায় সহায়ক হবে, সংস্থার ভিতরে কোন কোন সময় কোন অনাকাংখিত ও দুঃখজনক ঘটনা সৃষ্টি হইলে যাহাদের পরামর্শ কাজে লাগিবে ও সকলে মানিয়া নিবে, এমন সর্বজন গ্রহণযোগ্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিয়া কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত নিয়া উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা

যাইবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কোন ক্রমেই কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তার সংখ্যার অধিক হইবে না। এই পরিষদের সদস্যবৃন্দ নির্বাচনে প্রার্থী হইবে না ও ভোট ও দিতে পারিবে না।


(ঘ) পৃষ্টপোষক পরিষদ:
যাহাদের জ্ঞান, বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করিবে, কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনায় সহায়ক হবে, সংস্থার ভিতরে কোন কোন সময় কোন অনাকাংখিত ও দুঃখজনক ঘটনা সৃষ্টি হইলে যাহাদের পরামর্শ কাজে লাগিবে ও সকলে মানিয়া নিবে এবং সংঘটনের সার্বিক কার্যক্রমে অভিভাবকের ভূমিকায় পালন করিবে এমন সর্বজন গ্রহণযোগ্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিয়া কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত নিয়া পৃষ্টপোষক পরিষদ গঠন করা যাইবে। পৃষ্টপোষক পরিষদের সদস্য সংখ্যা কোন ক্রমেই কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তার সংখ্যার দ্বিগুনের অধিক হইবে না। এই পরিষদের সদস্যবৃন্দ নির্বাচনে প্রার্থী হইবে না ও ভোট ও দিতে পারিবে না। তবে নির্বাচন কমিশন হিসেবে কাজ করিতে পারিবে।


অনুচ্ছেদ-১৩ কার্যনির্বাহী পরিষদের গঠন কাঠামো:
১। চেয়ারম্যান/সভাপতি

২। সিনিয়র সহ-সভাপতি

৩। সহ-সভাপতি
৪। সাধারণ সম্পাদক/নির্বাহী প্রধান ১ জন
৫। সহ-সাধারণ সম্পাদক/সহ নির্বাহী প্রধান- ১ জন
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক- ১ জন
৭। অর্থ সম্পাদক- ১ জন
৮। সহ-অর্থ সম্পাদক- ১ জন
৯। অফিস সম্পাদক- ১ জন
১০। প্রচার,প্রকাশনা ও সাহিত্য সম্পাদক ১ জন
১১। আইটি (তথ্য প্রযুক্তি)- ১ জন
১২। সমাজসেবা সম্পাদক- ১ জন
১৩। সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- ১ জন
১৪। বন ও পরিবেশ সম্পাদক- ১ জন
১৫। আইন ও মানবাধিকার
১ জন
১৬। শিশু ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা- ১ জন
১৭। শিক্ষা ও সাহিত্য- ১ জন
১৮। ত্রাণ-পূর্ণবাসন ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন
১৯। ধর্ম সম্পাদক- ১ জন
২০। দপ্তর ও মিলনায়তন সম্পাদক ১ জন
২১। জন-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
২২। উন্নয়ন পর্যবেক্ষক ৪ জন
মোট- ২৫ জন

অনুচ্ছেদ-১৪: কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা:

নির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন পদ সমূহের ক্ষমতা ও কার্যাবলীঃ
১৪.ক. চেয়ারম্যান
এই সংগঠনের চেয়ারম্যান সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের অনুমোদিত প্যানেল থেকে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একজন নির্বাচিত এই সংগঠনের কার্যকারী পরিষদের অনুমোদিত প্যানেল থেকে সাধারন পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একজন নির্বাচিত সভাপতি পরপর ৩(তিন)মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ৪র্থ মেয়াদে সভাপতি নির্বাচন করতে পারবেন না।


১. চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ও কতর্ব্যঃ
চেয়ারম্যান হচ্ছে এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হাসিল, পরিচালনা, কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সর্বোৎকৃষ্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সংরক্ষন করার একমাত্র ব্যক্তি। তিনি কার্যনির্বাহী কমিটি ও সাধারন পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের আয় ও উন্নতির প্রতি সর্বদা নজর রাখবেন। তিনি সভাপতি/প্রধান নিবাহী‘র মাধ্যমে সভা আহবান করবেন। সভা চলাকালে যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই দিকে খেয়াল রাখবেন এবং সভার শৃংঙ্খলা রক্ষা করবেন। প্রয়োজনে কাষ্টিং ভোট প্রদান করতে পারবেন। তিনি প্রধান নিবাহীর বিল ভাউচার অনুমোদন করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের পরার্মশ অনুসারে কাজ করবেন,কিন্তু দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত নেই এমন কোন বিষয়ে জরুরী ও সাময়িক পদক্ষেপ গ্রহনের প্রয়োজন হলে তিনি এ নিয়মের অধিন থাকবেন না। শুধুমাত্র প্রধান নিবাহীর পরামর্শগুলো ও সহায়তা গ্রহন করবেন। গঠন তন্ত্রের বিভিন্ন ধারা কেন্দ্রীয় সভাপতিকে যে সব ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, তিনি নিজে অথবা কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলো প্রয়োগ করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সাথে পরার্মশ করে প্রয়োজনবোধে পূর্ণ বা আংশিকভাবে তার সেক্রেটারীয়েট রদবদল করতে পারবেন।নির্বাহী পরিষদ ভেঙ্গে গেলে বা মেয়াদ পূর্ন হলে তিনি অর্ন্তবর্তীকালীন কমিটি গঠন করার জন্য সংগঠনের স্থায়ী পরিষদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।


২. যেহেতু অত্র ফাউন্ডেশনের প্রস্তাবক ও প্রতিষ্ঠাতা লায়ন মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু সেহেতু অত্র প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদটি তাহার পরিবার অথবা তাহার পরিবারের যোগ্য ব্যক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার থাকিবে। যদি কোন কারনে চেয়ারম্যান এর পদ স্থায়ী ভাবে শুন্য হয় অথবা মেয়াদ পূর্ন হয়, তাহলে কার্যকরী পরিষদ তার চেয়ারম্যান এর পরিবারের মধ্য হইতে অত্র ফাউন্ডেশনের সদস্য হওয়ার যোগ্য ব্যক্তির মধ্য থেকে একজনকে সাময়িক/অর্ন্তবর্তীকালীন চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে যথাশ্রীঘ্রই সম্ভব সাধারন পরিষদের সদস্যদের পরামর্শক্রমে অবশিষ্ট সময়ের জন্য চেয়ারম্যান নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। যদি চেয়ারম্যান সাময়িকভাবে ছুটি গ্রহনে বাধ্য হন

তাহলে তিনি স্থায়ী পরিষদের পরামর্শক্রমে নিয়ে যে কোন পরিষদের মধ্য থেকে অথবা তাহার পরিবারের যোগ্যতম ব্যক্তিকে তিন মাসের জন্য অস্থায়ী চেয়ারম্যান নিযুক্ত করতে পারবেন।


৩. যদি কোন কারনে চেয়ারম্যানের পদ স্থায়ীভাবে শুন্য হয় অথবা মেয়াদ পূর্ন হয়, তাহলে কার্যকরী পরিষদ তার সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সাময়িক/অর্ন্তবর্তীকালিন চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে যথাশ্রীঘ্রই সম্ভব সাধারন পরিষদের সদস্যদের পরামর্শক্রমে চেয়ারম্যানের পরিবারের লোকজনের মধ্য হইতে যোগ্য ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান নির্বাচনের ব্যবস্থা করিবেন। যদি চেয়ারম্যান সাময়িকভাবে ছুটি গ্রহনে বাধ্য হন তাহলে তিনি কার্যকরী পরিষদের সাথে পরমার্শ করে তাহার পরিবারের যোগ্য ব্যক্তিকে তিনি স্বেচ্ছায় তিন মাসের জন্য অস্থায়ী চেয়ারম্যান নিযুক্ত করতে পারবেন । এখানে আরো উল্লেখ্য যে, চেয়াম্যান তাহার জীবদ্দশায় যদি প্রয়োজন মনে করেন তবে তিনি উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি অথবা পদত্যাগ করিয়া তাহার পরিবারের যেকোন কাউকে যেকোন সময় চেয়ারম্যান নিয়োগ করিতে পারিবেন। ইহাতে অত্র সংঘঠনের কোন পরিষদের কোন প্রকার পরমার্শ বা অনুমোদনের প্রয়োজন হইবে না।


৩. চেয়ারম্যান বা অস্থায়ী চেয়ারম্যান নির্বাচিত বা নিযুক্ত হবার পর কার্যভার গ্রহনের পূর্বে সদস্যদের সম্মেলনে অথবা কার্য নির্বাহী পরিষদের অধিবেশনে গঠনতন্ত্রের পরিশিষ্টে বর্ণিত চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ করবেন।


৪. ফাউন্ডেশনের কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণে পক্ষে বিপক্ষে সম সংখ্যক ভোট হইলে তিনি কাষ্টিং ভোট দিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা বাতিল করিতে পারিবেন।


৫. প্রধান নির্বাচন কমিশনার/যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কার্যকরী পরিষদের সকল সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন ।


১৪.০১ সভাপতি:
এই সংগঠনের চেয়ারম্যান এবং সভাপতি একই ব্যক্তি হবেন তবে তিনি চাইলে নিজে চেয়ারম্যানের স্বতন্ত্র পদে থেকে ভিন্ন ব্যাক্তেিক সভাপতি নিয়োগ দিতে পারবেন এবং সভাপতি নিুোক্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
সভাপতির দায়িত্ব ও কতর্ব্যঃ
v সভাপতি সংগঠনের সকল সভায় চেয়ারম্যান এর অনুপস্থিতিতে সভাপতিত্ব করিবেন।
v ফাউন্ডেশনের কল্যাণে উপদেশ প্রদান করিবেন।
v সভা আহ্বানের জন্য সাধারণ সম্পাদককে পরামর্শ প্রদান করিবেন।
v চেয়ারম্যান/ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর যৌথ স্বাক্ষরে খরচের ভাউচারে পাশ করিবেন।
v কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল কাজকর্মে উৎসাহ দান করিবেন।
v সর্বোপরি তিনি সংগঠনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
১৪.০২: সহ সভাপতি:
সভাপতি এর অনুপস্থিতিতে সহ সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন। ইহা ছাড়াও সভাপতি এর পরামর্শক্রমে সংগঠনের দৈনন্দিন অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করিবেন।

১৪.০২: সাধারণ সম্পাদক:
v সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে কাজ করবেন।
v সভাপরি এর পরামর্শ অনুযায়ী সভা আহবানের নোটিশজারী করিবেন।
v তিনি বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট, বার্ষিক বাজেট, বার্ষিক আয়-ব্যয় হিসাব ও বার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য পেশ করিবেন।
v তিনি সংগঠনের মূল্যবান রেকর্ডপত্র, দলিলপত্র রক্ষণাবেক্ষন করিবেন।
v তিনি সংগঠনের পক্ষে বিভিন্ন চুক্তিপত্র সম্পাদন করিবেন এবং সংগঠনের পক্ষে প্রয়োজন হইলে সভাপতি এর অনুমতিক্রমে প্রতিধিত্ব করিবেন।
v তিনি ক্যাশ বহিতে প্রতি স্বাক্ষর করিবেন ও খরচের ভাউচার পাশ করিবেন।
v অন্যান্য সদস্যদের কার্যাবলী তদারকী করিবেন।
v সর্বোপরি তিনি সংস্থার কল্যাণে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখিবেন।
v তাহার যাবতীয় কাজকর্মের জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
১৪.০৩: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক:
সাধারণ সম্পাদক এর অনুপস্থিতিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করিবেন। ইহা ছাড়াও সভাপতি এর পরামর্শক্রমে সংস্থার দৈনন্দিন অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করিবেন।


১৪.০৪: অর্থ সম্পাদক:
v অর্থ সম্পাদক সংগঠনের অর্থ বিভাগের প্রধান।
v তিনি সদস্যদের নিকট হইতে রশিদ মূলে চাঁদা আদায় করিবেন প্রাপ্তব্য অন্যান্য অর্থ সংস্থার রশিদ মূলে গ্রহণ করিবেন।
v তিনি সংগঠনের অর্থের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ করিবেন।
v তিনি ক্যাশ বহি লিপিবদ্ধ করিবেন এবং স্বাক্ষর করিবেন।
v আদায়কৃত অর্থ আদায়ের পরবর্তী ০৬ (ছয়) দিনের মধ্যে সংগঠনের ব্যাংক একাউন্টে জমা করিবেন।
v বার্ষিক অডিট সম্পাদন করাইবেন।
v সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর পরামর্শে অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবেন।
v এক কথায় তিনি আর্থিক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করিবেন।
v তাহার যাবতীয় কাজকর্মের জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।


১৪.০৫. প্রচার,প্রকাশনা ও সাহিত্য সম্পাদক ঃ
তিনি চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ভিত্তিক সাহিত্য সৃষ্টি, সংরক্ষন ও প্রসারের উদ্দ্যেগ নিবেন এবং চট্টগ্রামের ইতিহাস- ঐতিহ্য,সংস্কৃতির উন্নয়ন পর্যবেক্ষনের জন্য দক্ষ কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক তৈরীতে ও প্রভাবিত করতে পাঠাগার ও প্রশিক্ষণ সহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিবেন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে গরিব কৃতিমান কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের উৎসাহ পৃষ্টপোষকতা দান করতে চেষ্টা করবেন।ইস্যু ভিত্তিক ক্যাম্পিংয়ের পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়ন করবেন। তিনি সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম ও পরিকল্পনা গনমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করবেন,আইটি বিন্যাস ও টুরিজম বিষয়ক আপডেট প্রদান করে চাটগার ঐতিহ্য তুলে ধরার ব্যাবস্থা
করবেন,কার্যকরী পরিকল্পনা নিবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদে রিপোট দেবেন। সর্বপরি সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।

১৪.০৬. সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদকঃ
যুগযুগ ধরে চলে আসা চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের সাংস্কৃতি ও ক্রীড়াগুলোকে বিদেশী সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে মুক্ত করে নিজস্ব আঙ্গিকে ধারন, লালন, উন্নয়ন ও পৃষ্টপোষনের জন্য তিনি পরিকল্পনা প্রনয়ন পাস ও বাস্তবায়ন করবেন। সহ সভাপতি মন্ডলীর মধ্যে যিনি সাংস্কৃতিক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক, তাঁর সহযোগিতায় তিনি প্রয়োজনীয় কর্ম উদ্যোগ গ্রহন করবেন। সুষ্ঠু চাটগাঁ সাংস্কৃতি চর্চার প্রয়োজনে তিনি একটি বহুমুখী সৃজনশীল শিল্পী গোষ্ঠী গঠনে প্রচেষ্টা চালাবেন। টুরিজম সম্ভাবনা চিহ্নিত করন ও সংগঠনের আই.টি বিভাগে সাংস্কৃতিক ও টুরিজম বিষয়াবলী আপডেট দিবেন,এবং চাটগাঁ ক্লাব প্রতিষ্ঠিত করতে প্রধান নিবার্হীকে সহযোগিতা করবেন। নির্বাহী পরিষদে রির্পোট দিবেন। সর্বপরি সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.০৭. পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক ঃ
তিনি চট্টগ্রামের পরিবেশ ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করবেন। বিরুপ পরিবেশ ও মানবাধিকার লঙ্গনের খতিয়ান সংরক্ষন ও প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবেন। তিনি এক্ষেত্রে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাদিকার সনদ ও বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যানুয়েল অনুসরণ করবেন। পরিবেশ সম্মত কৃষি,শিল্প,বানিজ্য,বনায়নে উৎসাহ ও সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করবেন। সার্বিক পরিস্থিতি তিনি প্রধান নিবার্হী কে অবহিত করবেন, নোট রাখবেন, বার্ষিক রিপোটিং এ তথ্য প্রদান করবেন, কর্ম পরিকল্পনা গ্রহন করবেন। সর্বপরি সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.০৮.আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ঃ
তিনি আইন আদালত অঙ্গনের পরিবেশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন, দূনীতি পর্যবেক্ষন, সংগঠনের সকল কার্যক্রমের আইনি দিক খতিয়ে দেখা, লজিক্যাল রির্পোটের ব্যবস্থা করা, নারী
শিশু নির্যাতন ও পরিবেশ-মানবাধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ প্রদান, উঠান বৈঠক বা শালিশের ব্যবস্থা করে সংকট নিরসনের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। নোট, কর্ম পরিকল্পনা গ্রহন ও অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা করবেন।সর্বোপরি সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.০৯. ত্রাণ-পূর্ণবাসন ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ঃ
তিনি দূর্যোগ পূর্ণ পরিস্থিতিতে দূর্গত মানুষের পাশে দাড়াতে, চট্টগ্রামের জনগনকে সাথে নিয়ে চাটগাঁবাসীর ত্রান কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহন করবেন। দূর্গত ও দুস্থ মানুষের স্বা
¯্য’ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে সর্বদা চিন্তা করবেন। চট্টগ্রামের দারিদ্র বিমোচনে ব্যাপকভাবে গবেষনা ও পরিকল্পনা নেবেন এবং একটি চেরিটি ফান্ড গঠনের চেষ্টা করবেন। দারিদ্র হার রির্পোট করবেন, সভাপতি- সেক্রেটারী বৃন্দের সহযোগিতা নেবেন। সর্বোপরি সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।

১৪.১০ জন-স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদকঃ
চাটগাঁ অঞ্চলের জনসংখ্যা ও তার স্বাস্থ্য সেবার খতিয়ান সংরক্ষন করবেন,সম্ভবনা চিহ্নিত করবেন। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় আইনি সহায়তা, নির্যাতন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহন করবেন,উন্নয়নের পথ খোজে বের করবেন ও সাধ্যমত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিবেন। সর্বোপরি সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.১১.তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদকঃ- সংগঠনের আই.টি বিভাগ তদারক করবেন।এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব-ব্যাপি চাটগাঁ’র ইতিহাস-ঐতিহ্য,সংস্কৃতি-সৌন্দর্য্য ও চাটগাঁবাসীর কার্যক্রম তুলে ধরবেন। এবং সকল সেবা কর্ম গুলো প্রচারের স্বার্থে নিজস্ব ওয়েব ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট প্রদান করবেন। নেটওয়ার্ক থেকে সংগঠনের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহও সংরক্ষন করে যে কোন জরীপ রির্পোট তৈরীতে সহযোগীতা করবেন। তাছাড়াও সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.১২. দপ্তর ও মিলনায়তন সম্পাদক ঃ
তিনি চাটগাঁবাসীর দপ্তরের তত্ত্বাবধান করবেন। সভা-সমাবেশের স্থান ও মিলনায়তন ব্যাবস্থাপনা করবেন। সংগঠনের চিঠি-পত্র,বিজ্ঞপ্তি সমুহ গ্রহন ও যথাযথ বন্টনের ব্যবস্থা করবেন। দাপ্তরিক নথিপত্র সংরক্ষণ ও আই.টি সংরক্ষন করবেন। প্রয়োজনীয় পেপার কাটিং করবেন,এবং অন্যান্য রির্পোট ও নোট সংরক্ষন করবেন, দাপ্তরিক প্রয়োজনীয় কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের যে কারো সহযোগিতা নেবেন। তাছাড়াও সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.১৩. উন্নয়ন পর্যবেক্ষক ঃ
উন্নয়ন পর্যবেক্ষকগণ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাহী সদস্যের দায়িত্ব পালন করবেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহনে ও ভোট দানের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, সংগঠনের স্বার্থে সকল প্রকার মতামত প্রদান ও সহযোগিতা করবেন। তাছাড়া তারা চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নের খতিয়ান সংরক্ষন,ও পর্যবেক্ষন করবেন।শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়নে ভুমিকা রাখবেন এবং বার্ষিক রির্পোট করবেন, প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষন করবেন। সিনিয়র সহ-সভাপতির নেতৃত্বে গড়া গবেষনা প্রতিষ্ঠানে গবেষকের ভূমিকা পালন করবেন। তাছাড়াও সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।


১৪.১৫. সহকারী সম্পাদক ঃ সকল সহকারী বৃন্দ বিভাগীয় প্রধানকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন ও কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাছাড়াও সংগঠন কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করবেন।

১৪.১৬: নির্বাহী সদস্যবৃন্দ:
কার্যকরী সদস্যবৃন্দ কার্যকরী পরিষদের সভা সমূহে যথারীতি যোগদান করিবেন। সংগঠনের কল্যাণে মতামত পেশ করিবেন। সংগঠনের কল্যাণে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন। সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা

রক্ষার্থে আন্তরিকভাবে সংগঠনের স্বার্থে জোর প্রচেষ্টা চালাবেন। সাধারণ সদস্যদের সংগঠিত করা, মতামত গ্রহণ সহ সদস্যদের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করা। এছাড়াও যেকোন বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক এর অনুপস্থিতিতে পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে তাহার দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।


অনুচ্ছেদ-১৫: উপ কমিটি গঠন:
অত্র সংগঠনের কোন অনুষ্ঠান, বিশেষ কাজ বা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত নিয়া কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্যদের সমন্বয়ে এক বা একাধিক উপ কমিটি গঠন করিয়া সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করিবেন। যে বিষয়ে কমিটি গঠন করা হইল সেই কাজ শেষ হইলে উপ কমিটি বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। উপ কমিটি তাহার যাবতীয় কাজের জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।


অনুচ্ছেদ- ১৬: এডহক কমিটি:
কোন কারণে যথাসময়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন করা সম্ভাব না হইলে সাধারণ পরিষদ সভায় ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হইবে। কমিটিতে একজন আহ্বায়ক, একজন সদস্য সচিব ও একজন সদস্য থাকিবেন। আহ্বায়ক এই কমিটির প্রধান থাকিবেন। এই কমিটি নির্বাচন সংক্রান্ত বিধির যাবতীয় বিষয় অনুসরণ করিয়া পরবর্তী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব, সমর্থন বা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নতুন পরিষদ গঠন করিয়া পরবর্তী ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে নির্বাচিত পরিষদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করিবে। উল্লেখ্য যে, এডহক কমিটির কোন সদস্যই কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রার্থী হইতে পারিবে না।


অনুচ্ছেদ- ১৭: শাখা কার্যালয় ও কমিটি:
সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন ও কার্যক্রম সুচারুরূপে পরিচালনার জন্য কার্যএলাকার যেকোন স্থানে ১১ (এগার) সদস্য বিশিষ্ট শাখা কমিটি গঠন করা যাইবে। মূল কার্যকরী পরিষদের তত্বাবধানে শাখা কমিটি গঠিত হইবে। শাখা কমিটি তার কার্যাবলীর জন্য মূল কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিকভাবে জবাব দিতে বাধ্য থাকিবে। উপযুক্ত কারণে মূল কার্যকরী পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়া শাখা কমিটি বিলুপ্ত/পুনঃগঠন করিতে পারিবেন।


(ক) শাখা কমিটি কাঠামো: সভাপতি- ০১ জন, সাধারণ সম্পাদক- ০১ জন, সহ- সাধারণ সম্পাদক ০১ জন, অর্থ সম্পাদক- ০১ জন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ০১ জন, আইন ও সালিশী বিষয়ক সম্পাদক ০১ জন, শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ০১ জন, স্বাস্থ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ০১ জন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ০১ জন, ও নির্বাহী সদস্য- ০১ জন। উক্ত কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হইবে।


(খ) শাখা সমূহের দায়িত্ব ও কর্তব্য: কেন্দ্রীয় কমিটি গৃহিত কার্যাদি বাস্তাবায়ন করিবেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জবাবদিহী করতে বাধ্য থাকিবেন। কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধাদি ভোগ করিবেন।


(গ) শাখার কাজ স্থগিতকরণ: কেন্দ্রীয় কমিটি যেকোন শাখার কার্যক্রম স্থগিত করতে পারিবেন। এক্ষেত্রে উক্ত শাখার কার্যক্রম স্থগিতকরণের কারণ বিন্ধন কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে অবহিত করিবেন।

অনুচ্ছেদ-১৮: নিয়োগ পদ্ধতি: সভা সংক্রান্ত বিধি
অত্র সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রশিক্ষক নিয়োগ করার প্রয়োজন হইলে কার্যকরী পরিষদ সিদ্ধান্ত নয়া ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট একটি নিয়োগ কমিটি গঠন করিয়া কর্মচারী নিয়োগ করিবেন। নিয়োগ কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে সদস্য সচিব থাকিবেন। নিয়োগ কমিটি প্রয়োজনীয় ইন্টারভিউর মাধ্যমে যাচাই বাছাই
করিয়া কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত করিবেন। নিয়োগ কমিটি নিয়োগ বিধি ও চাকুরীর শর্তবালী প্রণয়ন করিবেন এবং বেতন ভাতা নির্ধারণ করিবেন। নিয়োগ কমিটির রূপরেখা নিম্মরূপ-
১। চেয়ারম্যান, ২। সভাপতি, ৩। সাধারণ সম্পাদক, ৪। অর্থ সম্পাদক এবং ০২ জন কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য নিয়ে নিয়োগ কমিঠি গঠিত হইবে।


অনুচ্ছেদ-১৯: সভা সংক্রান্ত বিধি:

অত্র সংস্থায় ০৫ (পাঁচ) প্রকার সভা অনুষ্ঠিত হইবে যথা- (১) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা, (২) বার্ষিক সাধারণ সভা, (০৩) জরুরী সভা (০৪) মূলতবী সভা ও (০৫) তলবী সভা।


১৯:০১ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা:
কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়া প্রতি ০২ (দুই) মাস অন্তত সভা অনুষ্ঠিত হইবে। এই সভায় সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যক্রমের মূল্যায়ন, কোন সমস্যা থাকিলে সে বিষয় আলোচনা ও সমস্যা নিরসন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনা বিষয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হইবে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহ লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে।


১৯.০২: বার্ষিক সাধারণ সভা:
সকল সদ্যদের সমন্বয়ে বৎসরে কমপক্ষে ০১ (এক) বার এই সভা অনুষ্ঠিত হইবে। এই সভায় বার্ষিক অগ্রগতির প্রতিবেদন, বার্ষিক পরিকল্পনা, বার্ষিক বাজেট ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদনের জন্য পেশ করা হইবে। গঠনতন্ত্রের যেই কোন সংশোধনী এই সভায় অনুমোদন করা যাইবে। সকল সদস্য সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় মতামত পেশ করিতে পারিবেন।


১৯.০৩: জরুরী সভা:
সংগঠনের জরুরী সিদ্ধান্ত গ্রহণার্থে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক সর্বনিম্ম ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিশে জরুরী সভা আহ্বান করিতে পারিবেন। জরুরী সভায় কোরামের কোন বাধ্যবাধকতা থাকিবে না। এই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় সবাইকে অবহিত করিতে হইবে।


১৯.০৪: মূলতবী সভা:
যেকোন কারণে সভাপতি কর্তৃক সভা মূলতবী ঘোষিত হইলে, ঐ সভা পরবর্তী সপ্তাহে একই স্থানে একই সময়ে ও একই আলোচ্য বিষয়ের উপর অনুষ্ঠিত হইবে। এই সভায় কোরামের কোন বাধ্যবাধকতা থাকিবে না। মূলতবী গৃহীত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।


১৯.০৫: তলবী সভা:
কোন কারণে সংগঠনের জটিল সমস্যা সৃস্টি হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ তাহা নিরসনে ভূমিকা না নিলে ঐ সমস্যা সমাধানের জন্য ২/৩ (দুই র্ততীয়াংশ) সদস্য সম্মিলিতভাবে সভা আহ্বানের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর নিকট লিখিতভাবে আবেদন করিতে পারিবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আবেদনপত্র পাওয়ার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কোন সমাধান দিতে না পারিলে বা সভা আহ্বান না করিলে আবেদনকারীগণ তলবী সভা আহ্বান করিতে পারিবেন। উক্ত সভায় সভা আহ্বানকারী সকলকে উপস্থিত থাকিতে হইবে। তলবী সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গন্য হইবে এবং কার্য নির্বাহী পরিষদ তাহার বাস্তবায়নে বাধ্য থাকিবেন।


অনুচ্ছেদ-২০: সভার নোটিশ

বার্ষিক সাধারণ সভা ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে, কার্যকরী পরিষদের সভা ০৭ (সাত) দিনের নোটিশে, জরুরি সভা ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিশে অনুষ্ঠিত হইবে। নোটিশে সভার স্থান, তারিখ, সময়, আলোচ্য সূচী ইত্যাদি পরিস্কারভাবে লিপিবদ্ধ

করা হইবে। নোটিশ এক ফর্দ্দ নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো হইবে। সদস্যদের নিকট নোটিশ বই মারফত অথবা ডাকযোগে প্রেরিত হইবে।


অনুচ্ছেদ- ২১: সভার কোরাম সংক্রান্ত বিধি:
জরুরী ও মূলতবী সভা ছাড়া সকল প্রকার সভায় ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যদের উপস্থিতিতে কোরামপূর্ণ হবে।


অনুচ্ছেদ-২২: আর্থিক বিধি:
(ক) আর্থিক বছর ১লা জুলাই হইতে ৩০শে জুন হিসাবে গণ্য করা হইবে।

(খ) এই সংগঠনের নামে সরকার অনুমোদিত যেকোন সিডিউল ব্যাংকে একটি জরুরি সঞ্চয়ী হিসাব খোলা হইবে। উক্ত হিসাব সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক এই ০৩ (তিন) জনের স্বাক্ষরে খেলা হইবে। অর্থ সম্পাদক, সভাপতি/সাধারণ এর যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হইতে টাকা উত্তোলন করা যাইবে।

(গ) সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চেয়ারম্যানের হাতে নগদ ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা রাখতে পারিবেন।


অনুচ্ছেদ-২৩: আয়ের উৎস: ব্যয়ের খাত: হিসাব নিরীক্ষণ (অডিট): নির্বাচন পদ্ধতি
(০১) সদস্যদের ভর্তি, (০২) সদস্যদের চাঁদা ও এককালীন দান, (০৩) বিশিষ্ট দানশীল ব্যক্তিদেরদান, (০৪) সরকারি বেসরকারি অনুদান, (০৫) কর্মসূচী থেকে প্রাপ্ত আয়, (০৬) আজীবন সদস্যদের চাঁদা এবং বৈধ উপায়ে প্রাপ্ত অন্যান্য খাত আয়ের উৎস হিসেবে বিবেচিত হইবে।


অনুচ্ছেদ-২৪: ব্যয়ের খাত:
সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতা অনুসারে সাধারণ পরিষদ/কার্যকরী পরিষদের অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুসারে অর্থ ব্যয় করা যাইবে। জরুী কাজের ব্যয় নির্বাহের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর জ্ঞাতসারে চেয়ারম্যানের এর হাতে নগদ ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা পর্যন্ত রাখিতে পারিবেন।


অনুচ্ছেদ-২৫: হিসাব নিরীক্ষণ (অডিট):
অর্থ বছর শেষে সংগঠনের আয় ব্যয়ের হিসাব সরকার অনুমোদিত অডিট ফার্ম হইতে বা সংগঠনের নিবন্ধীকরণ কর্মকর্তা দ্বারা নিরীক্ষণ করা হইবে। হিসাব নিরীক্ষণ প্রতিবেদন সকলের অবগতির জন্য বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করা হইবে


অনুচ্ছেদ-২৬: নির্বাচন পদ্ধতি: ভোটার: অনাস্থার নিয়ম: গঠনতন্ত্র সংশোধনঃ বিরোধ মিমাংসা:বিলুপ্তি:
দুই পদ্ধতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা যাইবে। যথা: (১) সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে, (০২) গোপন ব্যালট নির্বাচনের মাধ্যমে।


২৬.০১: সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত ক্রমে:
যেহেতু এই সংগঠনের একটি অরাজনৈতিক সমাজ ও মানব সেবামূলক সংগঠন, সেহেতু কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ০১ (এক) মাস পূর্বে সাধারণ পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়া প্রস্তাব-সমর্থনের মাধ্যমে কার্যকরী কমিটি গঠন

করা হইবে। ইহা সর্বোত্তম পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হইবে। সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত নিয়া প্রস্তাব সমর্থনের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনে জটিলতা সৃষ্টি হইলে গোপন ব্যালট নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হইবে।


২৬.০২: গোপন ব্যালট নির্বাচনের বিধি:
(০১) সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত নিয়া কার্যকরী কমিটি গঠনে ব্যর্থ হইলে ঐ সভায় ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হইবে। নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।


(০২) নির্বাচন অনুষ্ঠানের কমপক্ষে ২১ (একুশ) দিন পূর্বে নির্বাচন কমিশন বিস্তারিত বিবরণ সম্বলিত সুনির্দিষ্ট নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করিবেন। খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ, নির্বাচনের তারিখ, সময়, স্থান, নির্বাচন পদ্ধতি, সর্ব বিষয়ে উল্লেখ করিয়া নির্বাচন তপসিল ঘোষণা করিয়া নির্বাচনী কাজ সমাধান করিবেন।
নির্বাচনী তফসিল বহুল প্রচারের জন্য সদস্যদেরকে যথাসময়ে অবহিত করতে হবে। এই বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতা করিবেন।

নির্বাচনের নিয়মঃ 

১। কোনো প্রকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে না,

২। উন্মুক্ত নির্বাচন হবে, সদস্যগন বেলটের মাধ্যমে মার্কার কলম দিয়ে তার পছন্দের সদস্যএর নাম লেখে জমা দিবে।

৩। শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্বাচন হবে। 

৪। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে অন্য সদস্যদের মধ্য থেকে বাছাই করে কমিটির অন্যান্য পদ পূর্ন করা হবে।

(০৩) কোন পদে প্রার্থীগণ সমান সংখ্যক ভোট পাইলে নির্বাচন কমিশন লটারীর মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করিবেন। 


(০৪) নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিনই নির্বাচন কমিশন প্রার্থী বা তাহাদের এজেন্টদের সম্মুখে ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ভোট গণনা করিয়া (যদি কেহ উপস্থিত থাকেন) ফলাফল ঘোষণা করিবেন।


(০৫) নির্বাচনী কার্যক্রম বা ঘোষিত ফলাফল সম্পর্কে কাহারো কোন আপত্তি থাকিলে তাহা লিখিতভাবে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে নিবন্ধীকরন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে পারিবেন। নিবন্ধীকরন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত/মতামত সংশ্লিষ্ট সকলে মানিয়া নিবেন।

(০৬) কমিটির মেয়াদ ১লা জুলাই হইতে ৩০শে জুন পর্যন্ত ০২ (দুই) বৎসর গণনা হইবে।

(৭) ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে বিদায়ী পরিষদ নব নির্বাচিত পরিষদকে দায়িত্ব হস্তান্তর করিবেন।


অনুচ্ছেদ-২৭: ভোটার:
ক. কোন সদস্য চাঁদা একাধারে ০৩ (তিন) মাস বাকি থাকিলে তিনি ভোটাধিকার পাবেন না। ভোটাধিকার না থাকিলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না।
খ. নির্বাচন অনুষ্ঠনের ০১ (এক) বছর পূর্বে সদস্যপদ গ্রহণ করিতে হইবে।
গ. একজন ভোটার প্রতিটি পদের জন্য একটি করে ভোট দিতে পারিবেন।


অনুচ্ছেদ-২৮: অনাস্থার নিয়ম
কার্যনির্বাহী পরিষদের যেকোন কর্মকর্তাকে নিম্ম বর্ণিত যেকোন অভিযোগে অভিযুক্ত করিয়া ইে কোন সদস্য তাহার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনিতে পারিবেন। অনাস্থাপত্রে অবশ্যই নি
ম্নবর্ণিত যেকোন এক বা একাধিক অভিযোগ প্রমাণ করিতে হইবে এবং ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য কর্তৃক সমর্থিত হইতে হইবে। অন্যথায় আনীত অনাস্থা প্রস্তাব বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
১. সংগঠনের অর্থ আত্মসাৎ বা অর্থ তছরুপ অভিযুক্ত করিয়া।

২. ক্ষমতাসীন পদের সুষ্ঠু দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে অভিযুক্ত করিয়া।
৩. সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত করিয়া।
৪. চারিত্রিক দূর্বলতার অভিযোগে অভিযুক্ত করিয়া।
৫. সংগঠনের অভ্যন্তরে গোলযোগ সৃষ্টি করিলে বা অন্য কাহাকেও গোলযোগ সৃষ্টির উৎসাহ যোগাইলে।


অনুচ্ছেদ-২৯: গঠনতন্ত্র সংশোধন:
গঠনতন্ত্রের কোন ধারা, উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন কিংবা সংশোধন বা বাতিল ইত্যাদির প্রয়োজন হইলে সাধারণ সভায় ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়া চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধনীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে তাহা চূড়ান্তভাবে গৃহীত হইবে।


অনুচ্ছেদ-৩০: বিরোধ মিমাংসা:বিলুপ্তি:
সংগঠনের কোন কার্যক্রম বা গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ বা অন্য কোন বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে কোন বিরোধ সৃষ্টি হইলে তাহা নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট ‘‘যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে/নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে” অবহিত করা হইবে। তাহাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।


অনুচ্ছেদ-৩১: বিলুপ্তি:
কোন কারণ বশত: অত্র সংগঠনের অচল অবস্থা সৃষ্টি হইলে বা সংগঠনের প্রয়োজন নাই বলিয়া ৩/৫ (তিন পঞ্চমাংশ) সদস্যদের নিকট প্রতীয়মান হইলে, উক্ত ৩/৫ (তিন পঞ্চমাংশ) ভাগ সদস্য সংগঠনের বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়া ০১ (এক) মাস সময়ের মধ্যেই যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট বিলুপ্তির আদেশজারী করার জন্য আবেদন করিবেন। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট বিলুপ্তির আদেশজারী করার জন্য আবেদন করিবেন। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে বিলুপ্তির আদেশজারী হইলে অত্র সংগঠন চূড়ান্ত বিলুপ্তি ঘটিবে। বিলুপ্তকৃত সংগঠনের মালামাল, স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি হইতে সংগঠনের দেনা থাকিলে তাহা পরিশোধ করিয়া অবশিষ্ট সমস্ত মালামাল, স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে ও অনুমতিক্রমে ‘‘দিশারী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ”কে দান করা হইবে।

শপথ বাক্যঃ

এই শপথ সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সকল সাধারণ সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য।
আমি
——————— ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ এর সদস্য/পদে নিযুক্ত হয়েছি। আমি এই সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে একমতপোষণ করছি। ইয়ুথ স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ যে সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাতে আমি সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতা করব। এই সংগঠনের বিধিমালা যথাযথভাবে মেনে চলব। সর্বোপরি সামাজিক এই উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বেগবান করার জন্য নিজেকে সদা সচেষ্ট রাখিব এবং আমার অর্পিত দায়িত্ব স্বচ্ছতার সঙ্গে পালন করিব।

উপরোক্ত গঠনতন্ত্র ২০/০২/২০২০ ইং তারিখের সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়।

গঠনন্ত্র অনুমোদনকারী সদস্যগণের স্বাক্ষর সহ তালিকাঃ 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ